সকাল সাড়ে ৬টায় প্যারেড মাঠের ফটক খুলে দেয়ার আগেই নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে পায়ে হেঁটে এসে বাইরে জড়ো হতে থাকা নানা বয়সী নারী-পুরুষ, কিশোর-কিশোরী।
বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, পোশাক ও পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতের কর্মীসহ সব শ্রেণিপেশার মানুষ প্যারেড মাঠে উপস্থিত হতে থাকেন জাতীয় সংগীতে কণ্ঠ মেলাতে।
সকাল সাড়ে ১০টায় গাড়ি থেকে নেমে পতাকা হাতে মাঠের ৯ সেক্টরের উত্তর দিকে নির্ধারিত মঞ্চে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখান থেকেই জাতীয় সংগীতে কণ্ঠ মেলান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী যখন উপস্থিত হলেন- তখন মাঠে হাজির ২ লাখ ৩১ হাজার নারী-পুরুষ, কিশোর-কিশোরী। ১০টা ৫৫ মিনিটে প্রথম মহড়ায় অংশ নেয় ২ লাখ ৫১ হাজার মানুষ।
আর চূড়ান্ত সময়, অর্থাৎ জাতীয় সংগীত গাওয়ার সময় সেই সংখ্যা দাঁড়ায় ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬৮১ জনে।
তার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই আয়োজনে শামিল সবাইকে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার চেতনাকে শাণিত করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “বাঙালি সবসময় ইতিহাস সৃষ্টি করে।বাঙালি আবার নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করবে।আমাদের জাতীয় সঙ্গীত, যে সঙ্গীতের মধ্যে দিয়ে আমরা আমাদের ভালোবাসা জানাই দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি, যে জাতীয় সঙ্গীত আমাকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বেলিত করে, আমাদের চেতনার অগ্নিশিখা প্রজ্জ্বলিত করে, সেই জাতীয় সঙ্গীত লাখো কণ্ঠে আমরা গাইব, যা বিশ্বে ইতিহাস হয়ে থাকবে।”
এই আয়োজনে সম্পৃক্ত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব, আনসার, ভিডিপি, গার্মেন্টকর্মী, নারী-শিশু, সংস্কৃতিকর্মীসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষকে স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা জানান তিনি।
সকালে মাঠের প্রতিটি ফটক দিয়ে আগ্রহীদের প্রবেশ করতে দেয়া হয় গুণে গুণে। অনেকেই মাঠে আসেন গায়ে পতাকা জড়িয়ে, মাথায় পতাকার রঙের ব্যান্ডানা পরে। শৃঙ্খলা ঠিক রাখতে প্যারেড মাঠের ওই অংশটি ভাগ করা হয় ১৫টি সেক্টরে।





